শিরোনাম

প্রচ্ছদ খোলা কলাম, শিরোনাম, স্লাইডার

আসুন…. নিজেরাই উদ্যোগী হই

নাছির উদ্দীন | শুক্রবার, ০১ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 1840 বার

আসুন…. নিজেরাই উদ্যোগী হই

মহাকাশে আমেরিকার স্যাটেলাইট আছে ১৬১৬ টি। পাশের দেশ ভারতের স্যাটেলাইট ৮৮ টি পাকিস্তানের স্যাটেলাইট আছে ৩ টি । মহাকাশে কেনিয়ার মতো দেশের স্যাটেলাইট আছে ১ টা । ফুটবলের দেশ আর্জেন্টিনার স্যাটেলাইট আছে ১৮ টি । ব্রাজিলের আছে ১৭ টি ।সাউথ কোরিয়ার আছে ২৭ টি । স্পেনের আছে ২৪ টি । থাইল্যান্ডের আছে ৯ টি । জাপানের প্রায় ১৭২ টি ।

পরমানু অস্ত্রের তালিকা করলে দেখা যায় সব থেকে বেশি পরমানু অস্ত্র আছে সুপার পাওয়ার রাশিয়ার । প্রায় ৭ হাজারের উপর । এরপর লিস্টে আসে আমেরিকা । প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পরমানু অস্ত্রের অধিকারী আমেরিকা (৬৬৫০ টি )
ভারত এবং পাকিস্তানের পরমানু অস্ত্র যথাক্রমে ১৩০ এবং ১৪০ টি করে ।ইসরাইলের আছে ৮০ টি । আর ফ্রান্সের হাতে ৩০০ টি করে আছে ।চীন এবং উত্তর কোরিয়ার আছে যথাক্রমে ২৭০ টি এবং ১৫ টি করে নিউক্লিয়ার উইপন্স ।


মহাকাশে রুশ স্যাটেলাইট কয়টা আছে সেটা নিয়ে দ্বিমত থাকলেও ধরে নেয়া যায় এই সংখ্যা ১৪২ এর আশেপাশে হবে ।
২০১৬ সালে রাশিয়া মহকাশে আরো ৭৩ টি মাইক্রোস্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে ।উইকিপিডিয়া ঘাটলেই দেখবেন ব্যালাস্টিক সাবমেরিন আছে এরকম ৬ টা এলিট দেশের তালিকায় ভারতের নাম আছে ।

জাপান শান্তিপ্রিয় দেশ হয়েছে ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই । সেই জাপান ১৬ টা সাবমেরিন তৈরি করেছে ।ইন্ডিয়ার আছে ১৬ টা আর ইরানের আছে ৩১ টা করে সাবমেরিন ।
রাশিয়া নিজের সাবমেরিন নিজেই বানায় । এখন পর্যন্ত আছে ৬৩ টি । চীনের আছে ৬৯ টা অবরোধের মধ্যে থেকে উত্তর কোরিয়া ১৫ টা পরমানু বোমা আর ৭৮ টা সাবমেরিনের অধিকারী ।
স্বাধীনতার ৪৭ বছরে এসে একটা দেশ পড়ে আছে বিশ্বকাপ ফুটবল আর ক্রিকেটের উন্মাদনা নিয়ে । ক্রিকেটে আমাদের অবস্থান ভালো হইলেও ফুটবলে আমাদের র‍্যাঙ্কিং হইলো ১৯৭ ।৪৭ বছর বয়সী দেশটার একটা ক্যাম্পাসও সারাবিশ্বে ১০০ সিরিয়ালে ঢুকতে পারে নাই ।

লাল বাস আছে
শাটল আছে
প্যারিস রোড আছে
সংস্কৃতির রাজধানী আছে ।
সবই আছে ।
শুধু নাই সাইন্টিফিক মেধা ! যে মেধা দিয়ে একটা দেশ এগিয়ে যেতে পারে!!
ভারতে মাহিন্দ্রা , মারুতি সুজুকির মতো ব্রান্ড তৈরি হইলেও আমাদের দেশে এক “”প্রগতি “” ছাড়া আমি কোন ব্রান্ড পাই নি ।সেই প্রগতি আবার গাড়ি বানায় না । তারা গাড়ির পার্টস জোড়া লাগায় ।
অথচ দেশে আছে বুয়েট , রুয়েট , চুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠান । ঢাবির মতো প্রতিষ্ঠান আবিস্কারের জন্য বিখ্যাত নয় । তারা বিখ্যাত আন্দোলনের জন্য । যে কোন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঢাবির ছেলেরা গিয়ে রাস্তা ব্লক করে । সেটা নিউজ হবে । জাস্ট এইটুকু ।
অথচ সুযোগ দিলে এই ঢাবি বিশ্বের ১০০ ক্যাম্পাসের মধ্যে যাওয়ার যোগ্যতা রাখে ।

অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। এ দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিপুল জনশক্তি। বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির যে প্রবল বিস্তার ঘটেছে, এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। তরুণ প্রজন্মের কল্যাণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে এখন অপার সম্ভাবনার খাত হয়ে উঠেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। কয়েক বছরের মধ্যেই তথ্যপ্রযুক্তি হয়ে উঠেছে দেশের অন্যতম প্রতিষ্ঠিত খাত যে খাত আমাদের জিডিপির উত্তরণেও অদূর ভবিষ্যতে খুবই শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। দেশের প্রয়োজনে নানা তথ্যের সন্নিবেশন ও এর মাধ্যমে দেশের উত্তরণেও ভূমিকা রাখছে তথ্যপ্রযুক্তি খাত।
তথ্যসেবা নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে। ‘অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে এটি সরাসরি পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করা হচ্ছে। এগুলো সমন্বয় করা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওয়েব পোর্টাল ‘বাংলাদেশডটগভডটবিডি’র মাধ্যমে। এই ওয়েব পোর্টালে একসঙ্গে রয়েছে ২৫ হাজারেরও বেশি ওয়েবসাইটের লিংক। সেখান থেকে এক ক্লিকেই বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া এই ওয়েব পোর্টালে দেশের ৬১টি মন্ত্রণালয়, ৭টি বিভাগ, ৩৪৫টি অধিদপ্তর, ৬৪টি জেলা, ৪৮৮টি উপজেলা ও ৪ হাজার ৫৫০টি ইউনিয়নের তথ্য সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে নিমেষেই যে কোনো তথ্য খুঁজে বের করা যাচ্ছে।
দেশে এখন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি ৬০ লাখ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে ৫ কোটি ৬০ লাখ। এ সংখ্যাটি খুব দ্রুতই বাড়ছে। মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট, মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধার কারণে মানুষের জীবন অনেক বেশি প্রযুক্তিনির্ভর ও জটিলতামুক্ত হয়ে উঠেছে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তিসহ ডিজিটাল ক্লাসরুম নির্মাণের কাজ চলছে। ফলে শৈশব-কৈশোর থেকেই তথ্যপ্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করা যাচ্ছে। এ খাতের মেধাবীদের উদ্ভাবনী শক্তি জাগিয়ে তুলতে, অনুপ্রাণিত করতে প্রতি বছর আয়োজন করা হচ্ছে ডিজিটাল ইনোভেশন ফেয়ার। এই মেলার মধ্য দিয়ে দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মেধাবীরা পাদপ্রদীপের আলোর পথে এগিয়ে আসছে।
২০১৮ সালের মধ্যে শুধু সফটঅয়্যার রপ্তানি করেই ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের টার্গেট রয়েছে আমাদের। বর্তমানে দেশের ১১শর বেশি সফটঅয়্যার নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ হাজার তথ্যপ্রযুক্তিবিদ কাজ করছেন। ২০১৮ সালের টার্গেট পূরণের পর ২০২১ সালের মধ্যে বার্ষিক ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বেসিসের।

আমাদের ছেলেরা বুলেট ট্রেনের নকশা করে কিনা জানি না । তবে জাপানের বুলেট ট্রেন নিয়ে একটা প্রতিবেদন দেখেছিলাম । সেখানে বলা হয়েছিল জাপানীরা যাতায়াত ব্যাবস্থাকে এতোটা সংক্ষিপ্ত করে এনেছে যে জাপানের যে কোন জায়গা থেকে টোকিওতে যেতে মাত্র ১ ঘন্টা সময় লাগে । সবই সুপার ফাস্ট বুলেট ট্রেনের বদৌলতে ।
আমরা ক্রিকেট খেলি
বিশ্বকাপের পতাকা বানাই
ইউটিউবার বানাই ।
র‍্যাংকিং নিয়ে ফাইট করি ।

দেশটাকে সুযোগ দেন । দেশটা এগিয়ে যাক । প্লিজ … 🙂
যেন ২০ বছর পরে আমরা বলতে পারি , আমাদের আছে ৪ টা মিলিটারি স্যাটেলাইট । আছে ১০ টা সাবমেরিন । আমাদের পরমানু প্রকল্প আছে । আমরা কারো কাছে মাথা নত করতে আসি নাই ,আমরা বীরের জাতি,আমরা পারি……।

লেখক মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন
প্রিন্সিপাল:ইউনিক এডুকেশন জাপানীজ ল্যাংগুয়েজ ইনষ্টিটিউট
ডিরেক্টর:ইন্টারলিংক জাপান লি:
উদ্যোক্তা:ব্রাহ্মণবাড়িয়া সোসাইটি,জাপান
পরিচালক:নবীনগর ওয়েলফেয়ার সোসাইটি জাপান
উদোক্তা ও পৃষ্টপোষক :নাটঘর ইউনিয়ন শিক্ষা কল্যাণ পরিষদ।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 4962 বার

নবীনগরের এপ্রিল ট্রাজেডি ১৯৭১

২৯ এপ্রিল ২০১৭ | 3127 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০