শিরোনাম

প্রচ্ছদ খোলা কলাম, শিরোনাম, স্লাইডার

ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে

হাজী কবির আহাম্মদ | রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | পড়া হয়েছে 4848 বার

ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে

প্রানপ্রিয় বীরগাঁও ইউনিয়নবাসী ঈদের শুভেচ্ছা গ্রহন করুন। আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে গত বছর জন সাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে বীরগাঁও থেকে তিলোকিয়া যাবার রাস্তাটি পাকা করনের জন্য আমার ছোট ভাই আল আমিন ও আমি মাননীয় এম পি মহোদয় জনাব ফয়জুর রহমান বাদল ভাই কে বিনীত অনুরোধ করেছিলাম। বহু ব্যস্ততার মাঝেও এমপি মহোদয়ের চেষ্টার ফলে রাস্তাটি ডি পি পি ভুক্ত করে বীরগাঁও পাকা সড়ক থেকে দক্ষিন পাড়া পর্যন্ত নির্মাণ কাজের অনুমোদন পাওয়ার সকল পক্রিয়া সম্পন্ন করিয়ে দেন।
কিন্তু দুঃখের বিষয় স্থানীয় গুটিকয়েক ব্যক্তি এলাকায় গুজব ছড়াচ্ছে তারা না’কি ওই সড়কের অনুমোদন এনেছেন। এলাকার ঐ দুই ব্যক্তিকে বলতে চাই সাংসদ মহোদয়ের প্রতি তোমাদের অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ ইউনিয়নবাসী কখনো ভুলবেনা। বড় বড় ভুলি যে আওড়াও ভাল করে তো সড়কের নামও বলতে পারবানা। তিলোকিয়া, দূর্গারামপুর, হরিপুর, শুভারামপুর এ কয়েক গ্রামের মানুষ জনের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটির কাজ বন্ধ করতে সাদা কাগজে আকিবুকি করে গন সাক্ষর দিয়ে কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠিয়েছ তোমরা এতে ফায়দা হল কি। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি এলাকার উন্নয়নে তারা প্রতি ধাপেধাপে বাধা সৃষ্টি করবে। এরা অকৃতজ্ঞের দল। কাউকে সম্মান দিতে শিখেনি।
বর্তমান সরকার যেখানে উন্নয়নের চিত্র সব জায়গাতে ফুটিয়ে তুলছে তারা এটাই চাচ্ছে এর উল্টো নিয়ম মেনে গ্রামটিকে অবহেলিত জনপদের আওতায় রাখতে। আমি মনে করি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন গ্রামীণ পরিবেশের পরিবর্তন ঘটায়। রাস্তাঘাট নির্মান ও সড়কের সংস্কার কাজ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে ও শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রসার ঘটে। আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন? বর্তমানে আওয়ামীলীগের সরকার যখন উন্নয়নের ভাবনায় প্রত্যান্ত অঞ্চল গুলোতে কাজ করে যাচ্ছে তারা তখন এর বিরোধিতা করে ইউনিয়নের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়েও এ পরিবার পাক বাহিনীর সাথে যোগসাজশ রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বহু জুলুম করেছে। তোমাদের খেইল মানুষ বুঝে ফেলছে, চল্লিশ হাজার (৪০,০০০) টাকা খরচা করে জামায়াত শিবিরের লোক ভাড়ায় এনে আওয়ামীলীগে যোগদান করলেই কি! আওয়ামী পরিবারের সদস্য হওয়া যায়। মোটেও না। মানুষকে অতটা বোকা ভাবার খেশারত তোমাদেরই দিতে হবে। মনে রাখবা নির্বাচনের দুই মাস আগ থেকেই তোমাদের এ নোংরামি যাত্রা শুরু করছ। যা কিনা এখনো চলছে। তোমরা কি মনে কর, এলাকার শান্তি নষ্ট করে তোমরা ভাল থাকবা। মোটেও না। কথায় আছে না ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে। আমার ভাবতে অবাক লাগে ঘৃণ্য রুচি নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ এগুলো কি জনসাধারণের ভাল থাকার মনোবাসনা নিয়েই হয়েছিল কিনা। তবে আমি আশাবাদী আধার কাটিয়ে আবারো সুর্যের কিরন পরবে আমার প্রানের বীরগাঁওয়ে। জ্বালিয়ে বিনাশ করবে সব কিটের স্তুপ। সবাইকে আবারো অনুরোধ করছি। এলাকার উন্নয়নের সার্থে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কুরুচিপূর্ণ মানুষগুলোর মিষ্টি কথার বিরোধিতা করুন। জয় বাংলা জয় হোক সকলের।

Facebook Comments Box


এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নবীনগরের এপ্রিল ট্রাজেডি ১৯৭১

২৯ এপ্রিল ২০১৭ | 3020 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১