শিরোনাম

প্রচ্ছদ জাতীয়, শিরোনাম, স্লাইডার

ঘুর্ণিঝড় ‘আমফান’ সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত করতে পারে

ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ১৮ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 99 বার

ঘুর্ণিঝড় ‘আমফান’ সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত করতে পারে

খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আগামী মঙ্গলবার (১৯ মে) শেষরাত থেকে বুধবার (২০ মে) বিকেল অথবা সন্ধ্যার মধ্যে ঘুর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তব্র যে কোন মহুর্তে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে সরাসরি আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
সোমবার (১৮ মে) ভোর ৬টার তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এসব তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে ১৯ মে ২০২০ শেষরাত হতে ২০ মে ২০২০ সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।


ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে, যাতে স্বল্প সময়ের নোটিশে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে। সেই সাথে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।
এর আগে রোববার (১৭ মে) সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় প্রস্তুতি সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, উপকূলীয় জেলাগুলোর সাইক্লোন শেল্টারগুলোকে প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানের সময় যেন দুর্গতদের খাবারের অভাব না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার এবং গো-খাদ্যের ব্যবস্থাও নিয়েছে সরকার।

Comments

comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ভালো নেই : আকবর আলি খান

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | 6656 বার

স্বর্ণের দাম কমেছে

২৯ মে ২০১৬ | 3192 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০