শিরোনাম

প্রচ্ছদ নবীনগরের খবর, শিরোনাম, স্লাইডার

নবীনগরবাসী সোলার স্ট্রিট লাইট প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না

ডেস্ক রিপোর্ট | বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | পড়া হয়েছে 3570 বার

নবীনগরবাসী সোলার স্ট্রিট লাইট প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না

নবীনগর উপজেলায় সম্প্রতি পাতাকুঁড়ি প্রকল্পের আওতায় প্রতিটা ইউনিয়নের গুরুত্বপুর্ন সড়কে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । এ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা সদর সহ ২১ ইউনিয়নের গুরুত্বপুর্ন সড়ক, হাট বাজার, প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির সমুহ চিহ্নিত করে প্রায় ২০০ টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করার বাস্তনবায়ন পক্রিয়া চলমান রয়েছে । অভিযোগ উঠেছে এগুলো স্থাপনের মাস পার না হতেই রাত ১০ টার পরে লাইটের আলো কমে যায়। কয়েক জায়গায় এগুলো স্থাপনের কয়েকদিনের মাথায় নষ্ট হয়ে পরে থাকার পরেও মেরামত না করার কারনে এর সুবিধা ভোগ করতে পারছেন না জনসাধারন।


বিভিন্ন এলাকায় সরজমিন ঘুরে জনসাধারনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে পরামর্শ না করেই মনগড়া মত স্থানে এগুলো স্থাপন করেন। বিটঘরের মহেশ রোডের একটি স্ট্রিট লাইট গাছের ছায়াতলে থাকায় রাত নয়টার পরে সেখানে আলো কমে যায়। এমন বহু স্থানে গাছের ডালপালা না কেটেই এগুলো স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত আলো না দেয়ার কারনে এর সুফল পাচ্ছে না জনগন। এলাকাবাসী আরো জানান, গাছের ছায়ায় এগুলো স্থাপন না করতে বিভিন্ন সময়ে অনুরোধ করেন এতে কোন কাজ হয়না এছাড়াও বহু স্থানে যান্ত্রিক ক্রুটি দুর করার জন্য একাদিক বার সংশ্লীষ্ঠ দপ্তরে যোগাযোগ করেও মেরামতকারী কোন ব্যক্তির দেখা পাননি বলে জানায় ভুক্তভোগীরা।

রতনপুর ইউনিয়নের ভিটি বিশারা গ্রামে একটি সোলার স্ট্রিট রাত দশটা বাজার পর থেকেই আলো কমতে থাকায় এটি এখন কোন কাজে আসছেনা বলে জানালেন ওই গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন আকাশ। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করেন, একনাগাড়ে দুই রাত আলো দেয়ার ক্ষমতা থাকলেও এগুলো ঘন্টা চারেকের বেশী আলো দিতে না পারায় রাত এগারোটার পর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় গুটা এলাকা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পি আই ও) জানান, তিনি বিভিন্ন এলাকার কয়েক জায়গাতে স্ট্রীট লাইটের আলো কমে যাওয়ার অভিযোগ ও এগুলো স্থাপনের দায়ীত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের দায়ীত্বে অবহেলার বিষয়ে বলেন, দ্রুত এগুলো মেরামত করা হবে।

অন্য এক মাধ্যম জানায়, এ প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী আর দায়ীত্বে গাফিলতির কারনে প্রকল্পের পুরু টাকাই এখন পানিতে পড়ার মত অবস্থা হয়েছে। এ কাজে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের প্রথম বছর দেখভাল করার কথা থাকলেও তারা মাস শেষে এর মেরামত করতে নারাজ কেন এ প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। এতে করে উন্নয়নের চিত্রে ভ্রান্ত ধারনা তৈরি হচ্ছে জন সাধারনের।

এ বিষয়ে নবীনগরে সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল এর একান্ত সহকারী সচিব পিএস এবিএস জাবেদ নবীনগর টুয়েন্টি ফোর ডটকম’কে জানান, আমি অভিযোগ পাওয়ার পরপর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পর্যবেক্ষন করে সংশ্লীষ্ঠ দপ্তরে যোগাযোগ করে পুরু বিষয়ে কথা বলেছি। আমার কাছে মনে হল এর সাথে সংশ্লীষ্ঠ ব্যক্তিরা ইচ্ছাকৃত দায়ীত্বে অবহেলা করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম জানান, এ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে এখনো শেষ হয়নি। তবে কোন এলাকার স্ট্রীট লাইটের যান্ত্রিক ক্রুটি থাকলে এ বিষয়ে পিআইও দপ্তরে যোগাযোগ করলে সেখান থেকে মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে নবীনগরের এক প্রবীন রাজনীতিবিদ জানান, এমপি বাদল নবীনগরের বহু উন্নয়নের স্পষ্ট উদাহারন। গুটিকয়েক ব্যক্তির অপচেষ্টায় এগুলো প্রকাশ পাচ্ছে না। তবে কেউ কেউ উন্নয়নের পথকে বাধাগ্রস্থ করতে উঠে পরার কারনে কয়েকটি কাজের বাস্তবায়ন আটকে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ বিষয়গুলো এমপি মহোদয়ের নজরে রাখা দরকার।

Comments

comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নবীনগরে ভুয়া পুলিশ আটক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 25673 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১