শিরোনাম

প্রচ্ছদ নবীনগরের খবর, শিরোনাম, স্লাইডার

নবীনগরের বড়াইল বাজারে একের পর এক চুরির ঘটনায় আতংকে ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক রিপোর্ট | শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০ | পড়া হয়েছে 350 বার

নবীনগরের বড়াইল বাজারে একের পর এক চুরির ঘটনায় আতংকে ব্যবসায়ীরা

আইনশৃঙ্খলা অবনতি ও গ্রামে একের পর এক চুরির ঘটনায় নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

গত মঙ্গলবার (৯ জুন) বড়াইল বাজারের প্রত্যাশা স্টোর থেকে রাত আনুমানিক সাড়ে বারোটা থেকে দুইটার মধ্যে দোকানের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে দুধর্ষ চুরির ঘটনায় নগদ অর্থ ও সিগারেটসহ প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী অলেছ মিয়া,বড়াইল বেপারী বাড়ির শফিক মিয়ার ছেলে। তাছাড়া কিছুদিন পূর্বে বড়াইল বাজারের আরেক ব্যবসায়ী কাজী মনিরের বিকাশের টাকা,মোবাইল রিচার্জ কার্ড চুরির ঘটনা ঘটে। বাজারে নিরাপত্তা প্রহরী থাকা সত্ত্বেও এভাবে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়াতে বাজার কমিটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্নজনের মুখে মুখে প্রশ্ন উঠেছে।


তাই চুরি রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর হওয়ার পরামর্শ দেন সচেতন সমাজ। যদিও এই চুরির ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। অনেকেই দাবি করছে চোর সন্দেহে এনামুল নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই হওয়াতে সঠিক বিচার না করে গরিমসি করছে স্থানীয় সর্দাররা।

বাজারে চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে বড়াইল বাজার কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফেজ আলমগীর হোসেন জানান, সকালে ঘটনা জানাজানি হলে চুরির ঘটনার স্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তার সূত্র ধরে মোবাইল মালিকের সন্ধান করি পরে মোবাইলের মালিক না পেলেও মোবাইলের একটি নাম্বারের সূত্র ধরে জানতে পারি এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এনামুল হকের নাম্বার ঐদিন রাতে মোবাইলের কললিষ্টে পাওয়া যায়। পড়ে জড়িত থাকার অভিযোগে বড়াইল বাজার মুক্তিযোদ্ধা সংসদে তাকে আটক করে রাখা হয়। পরে পরবর্তীতে চেয়ারম্যানকে এই বিষয়ে অবগত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী অলেছ মিয়া জানান, প্রমাণস্বরূপ একজনকে আটক করলেও তেমন কোন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়নি বাজার কমিটির লোকজন। তাই তিনি অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ চেয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মূল চক্রের সদস্যদের আটক করা হোক দাবী তুলেন। এছাড়াও এ ঘটনায় তিনি গতকাল (বৃহস্পতিবার) নবীনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে এই প্রতিবেদককে জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন,বাজার কমিটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত।তারপরও আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।
এনামুলের আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরাসরি জড়িত না থাকার কারণে পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে গ্রাম্য শালিশে বিচার করে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এনামুল জড়িত থাকা প্রমাণিত হলে তখন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসময় বাজার কমিটি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনোজিত রায় জানান,চুরির ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। এই ঘটনায় মোবাইলের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু হয়েছে খুব শীঘ্রই মূলহোতাদের ধরা সম্ভব হবে বলে আশা করি।

Comments

comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নবীনগরে ভুয়া পুলিশ আটক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 25544 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০