শিরোনাম

প্রচ্ছদ নবীনগরের খবর, শিরোনাম, স্লাইডার

নবীনগরে বিনামূল্যের বই বিতরণ করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

ডেস্ক রিপোর্ট | মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি ২০১৭ | পড়া হয়েছে 2507 বার

নবীনগরে বিনামূল্যের বই বিতরণ করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

নবীনগর উপজেলায় ১১০টি কিন্ডার গার্টেনে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যের বই বিতরণ করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি বই বিতরণ করে প্রতিটি কিন্ডার গার্টেন থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা নেন বলে অভিযোগ জনিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২১টি ইউনিয়নে ১১০টি তালিকাভুক্ত কিন্ডার গার্টেন রয়েছে। এসব কিন্ডার গার্টেনে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিকটে বিনামূল্যের সরকারি বই গত ২৯ ডিসেম্বর মাঝিকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিতরণ করা হয়। এতে উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান, আলমগীর মোল্লা এবং কাইয়ুম ভুইয়া এসব বই বিতরণ করেন। এসময় নবীনগর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এরশাদুর রহমান অনলাইন খরচ বাবদ ২০০ ও শ্রমিক বাবদ ৩০০ মোট ৫০০ করে চাঁদার টাকা প্রত্যেক কিন্ডার গার্টেন থেকে আদায় করেন। চাঁদাবাজির ওই টাকা তিন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষক সমিতির কতিপয় শিক্ষক নেতা ভাগাভাগি করে নেন বলে জানা গেছে। সলিমগঞ্জ দিগন্ত কিন্ডার গার্টেন এর অফিস সহকারী রবিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, টাকা ছাড়া কোনো বই দিবেনা বললে ৫০০ টাকা দিয়েই বই নিয়ে আসছি। আমাদেরকে স্যারেরা বলেছেন কিছু খরচ আছে সেজন্য টাকাটা দিতে হবে। চারগা মডেল কিন্ডার গার্টেন এর অফিস সহকারী মাকসুদুল আলম বলেন, বই আনতে গেলে স্যারেরা আমাদের সবাইকে বলেছে ২০১৭-১৮ সালের অনলাইন খরচ বাবদ ২০০ এবং লেবার বাবদ ৩০০ মোট ৫০০ করে টাকা দিতে হবে। এই টাকা না দিলে কেউ বই পাবেনা, তাই আমরা বাধ্য হয়েই ৫০০ করে টাকা দিয়ে বই আনতে হয়েছে। নবীনগর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এরশাদুর রহমান বলেন, মতিয়ার রহমান, আলমগীর মোল্লা ও কাইয়ূম ভূইয়া স্যারের নির্দেশে কিন্ডার গার্টেন এর বই বিতরণের সময় সবার কাছ থেকে ৫০০ করে টাকা নেওয়া হয়েছে। ওই টাকা আমি স্যারদের নিকটে দিয়ে দিয়েছি। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান বলেন, পরবর্তী বছরের বইয়ের চাহিদা দেওয়ার জন্য অনলাইন খরচ বাবদ ২০০ ও বই পরিবহনের লেবার বাবদ ৩০০ করে টাকা নেওয়া হয়েছে। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর মোল্লা টাকা নেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কাইয়ূম ভূইয়া বলেন, আমি ওই দিন বই বিতরণে ছিলাম না আর টাকা নেওয়ার বিষয়ে কিছুই জানিনা।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফ মো. রফিকুল ইসলাম এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্ঠা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বনিক বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বই বিতরণে পাঁচ পয়সা নেওয়ার কোনো বিধান নেই। কেই কোনো চাঁদা নিলে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box


এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নবীনগরে ভুয়া পুলিশ আটক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 26071 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০