শিরোনাম

প্রচ্ছদ নবীনগরের খবর, শিরোনাম, স্লাইডার

নবীনগরে মিটার না দেখে ভুতুড়ে বিল তৈরির অভিযোগ-গ্রাহকদের ক্ষোভ

ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ০১ জুন ২০২০ | পড়া হয়েছে 574 বার

নবীনগরে মিটার না দেখে ভুতুড়ে বিল তৈরির অভিযোগ-গ্রাহকদের ক্ষোভ

নবীনগর উপজেলায় বিদ্যুতের মিটার না দেখেই অতিরিক্ত বিল করার অভিযোগ ওঠেছে। স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের লক্ষাধিক গ্রাহকের বাড়ি বাড়ি না গিয়েই অফিসে বসে মনমতো বিল বানিয়ে গ্রাহকদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন ভূক্তভোগী গ্রাহকেরা। এসব বিষয়ে বারবার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েকমাস ধরে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের মাসিক বিল প্রায় সকল গ্রাহকের হাতেই দ্বিগুন থেকে তিনগুন বাড়িয়ে অনেকটা ‘ভূয়া বিল’ আকারে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আর এসব বাড়তি বিল কেবল বাসা বাড়িতেই নয়, বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তপক্ষকেও গুনতে হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, ‘অনেকটা জ্যামিতিক হারে গত কয়েকমাস ধরে পল্লী বিদ্যুতের বিল বাড়ছেই। যেখানে ৪/৫’শ টাকা বিল আসতো, সেখানে পরের মাসে ৮/৯’শ এবং এর পরের মাসে ১২/১৩’শ টাকা বিল আসছে। মূলত গ্রাহকের বাড়ি বাড়ি না এসে মিটার না দেখে অফিসে বসে নিজেদের মতো করে বিল তৈরী করার কারণেই
এসব বাড়তি বিল আমরা পাচ্ছি।”
আর এসব বাড়তি বিল পেয়ে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা প্রায় প্রতিদিনই ফেসবুক ও ফেসবুক লাইভ টকশোতে তাদের ক্ষোভের কথা জানিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে এসবের দ্রুত প্রতিকার দাবী করছেন।
এ বিষয়ে নবীনগরের উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও নবীনগর পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শিব শংকর দাস লাইভ টক শোতে এসে বলছেন,’বিদ্যুতের এসব বাড়তি বিল নিয়ে প্রচুর অভিযোগ আমরাও পাচ্ছি। তাই এসব বিতর্কিত বিল নিয়ে শিগগীরই পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম এর সাথে কথা বলে দ্রুত সমন্বয় করে সমস্যাটির সমাধান করা হবে।’
এ বিষয়ে নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম নীল মাধব বণিক আজ সকালে কালের কণ্ঠের এ প্রতিনিধিকে বলেন,”মূলত গত দুইমাসে গরম ও রমজানের কারণে বিল বেশী আসছে। তবে কারও রিডিংয়ের সাথে বিলের বড় ধরণের অসংগতি থাকলে, সে বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে, তাৎক্ষণিক সমাধান দেয়া হবে।”
তবে মার্চ এপ্রিল মাসে লকডাউনের কারণে মিটার রিডারগণ বাড়ি বাড়ি যেতে পারেননি স্বীকার করে তিনি বলেন,’সেক্ষেত্রে আগের মাসের সাথে সমন্বয় করেই বিল তৈরী করা হয়েছে।’
বিলম্ব মাশুল দেয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে
নবীনগর উপজেলায় প্রায় ১ লাখ গ্রাহক রয়েছে উল্লেখ করে এই ডিজিএম জানান, গত মার্চ, এপ্রিল ও মে এই তিনমাসের বিদ্যুৎ বিল চলতি ৪ জুনের মধ্যে পরিশোধ করা হলে কোন বিলম্ব মাশুল কাউকে দিতে হবে না।


Comments

comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নবীনগরে ভুয়া পুলিশ আটক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 25298 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১