শিরোনাম

প্রচ্ছদ নবীনগরের খবর, শিরোনাম, স্লাইডার

নবীনগরে সরকারি দপ্তরের জায়গায় রাস্তা নির্মান, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে দপ্তর, নির্মানকাজ বন্ধের আবেদন

ডেস্ক রিপোর্ট | শুক্রবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৬ | পড়া হয়েছে 885 বার

নবীনগরে সরকারি দপ্তরের জায়গায় রাস্তা নির্মান, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে দপ্তর, নির্মানকাজ বন্ধের আবেদন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের নামে সরকারের অধিগ্রহণকৃত জায়গায় অবৈধভাবে রাস্তা নির্মান করছে পৌরসভা। এ রাস্তা নির্মানের ফলে সরকারি সম্পত্তি বেদখল হওয়া ও ভবিষ্যৎ গুদাম সম্প্রসারণ কাজের ব্যাঘাতসহ নিরাপত্তার ঝুঁকিতে থাকবে ওই সরকারের সংরক্ষিত এলাকার খাদ্য গুদামটি।
পৌরসভার মেয়র বরাবরে গত বুধবার সংরক্ষিত এলাকার খাদ্য গুদামের জমির মধ্যে রাস্তার নির্মান কাজ বন্ধের লিখিত আবেদন জানিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাজ্জাত হোসেন। সরকারের খাদ্য বিভাগ নবীনগর এর নামে অধিগ্রহণসহ মাঝিকাড়া মৌজায় ১০৬ শতক ভূমি রয়েছে যার মধ্যে খাদ্য গুদামটি অবস্থিত।

খাদ্য গুদাম অফিস সুত্র জানায়, খাদ্য গুদামের উত্তর পার্শ্বের খাল সংলগ্ন ২৮ শতক ভূমির মধ্য দিয়ে অবৈধভাবে রাস্তা নির্মানের টেন্ডার দেয় পৌরসভা। কিন্তু রেকর্ড পত্র অনুযায়ী ১৪৩ নং খতিয়ানে ১৬ শতক এবং ১নং খতিয়ানে ১৪৬ নং দাগে ১২ শতক ভূমি খাদ্য বিভাগের নামে অধিগ্রহণকৃত। বিভিন্ন সুত্র জানায়,ওই সরকারি দপ্তরের ১০৬ শতক ভূমির মধ্যে ৪০ শতক ভূমি যে সকল ব্যক্তির কাছ থেকে অধিগ্রহণ করা হয় সেই সকল ব্যক্তিরা সরকারের দৃষ্টিকে ফঁকি দিয়ে তাদের নামেই ওই সম্পত্তি রেকডভুক্ত করিয়ে নেয়। মো. হযরত আলী পিতা লাল মিয়া সাং মাঝিকাড়া নামে অধিগ্রহনকৃত ওই সম্পত্তি রেকর্ডভুক্ত হয়। ওই রেকর্ডমূলে গত ২০১৩ সালে সম্পত্তি দেখলের চেষ্ঠা চালানো হয় যা ওই সময়ের গুদামের দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার মো. শাখাওয়াত হোসেন এর করা একটি ডিজি থেকে জানা যায়। বর্তমান সময়ে রেকর্ডভূক্ত নামধারীর ওয়ারিশগন স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে পৌরসভার মাধ্যমে রাস্তা করিয়ে নিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের চালাচ্ছে।


এ ব্যাপারে নবীনগর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রমিম পাঠান বলেন, এ রাস্তা হলে সরকারের বিশাল সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রের বাইরে চলে যাবে এবং যে কোন সময় তা বেদখল হয়ে যাবে। বিষয়টি আমি গত ১৯ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিত ভাবে জানাই এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পৌর মেয়র মহোদয়কে জায়গার মালিকানা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাজ স্থগিত রাখার আবেদন জানায়।

এ ব্যাপারে পৌরসভার মেয়র মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, গুরুত্বপূর্ন নগরঅবকাঠামো প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে অনুমোদিত হয়েছে, কোর্টের নিদের্শ না পাওয়া পর্যন্ত এ কাজ বন্ধ করতে পারি না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম বলেন, খাদ্য বিভাগের জায়গা হলে পৌর কর্তৃপক্ষকে খাদ্য বিভাগের অনুমতি নিতে হবে। মেয়র সাহেবকে বিষয়টি অবগত করেছি। তিনি কর্তৃপক্ষের পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিবেন।

Comments

comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নবীনগরে ভুয়া পুলিশ আটক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 25654 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০