শিরোনাম

প্রচ্ছদ নবীনগরের খবর, শিরোনাম, স্লাইডার

নৌকার মাঝি হয়ে কে আসছেন বিভিন্ন মহলে এ নিয়েই চলছে নানান মত

ডেস্ক রিপোর্ট | শুক্রবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 682 বার

নৌকার মাঝি হয়ে কে আসছেন বিভিন্ন মহলে এ নিয়েই চলছে নানান মত

সকালে শোনা যায়, সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের ফয়জুর রহমান বাদল মহাজোট থেকে মনোনয়ন পাচ্ছেন। আবার সন্ধ্যায় লোকজন বলাবলি করে, এবাদুল করিম বুলবুলই আওয়ামী লীগের প্রার্থিতা পাচ্ছেন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পার না হতে পরদিন সকালে লোকমুখে গুঞ্জন শুরু হয় জাসদের (ইনু) সাবেক সংসদ সদস্য শাহ জিকরুল আহমেদ খোকন নৌকার মাঝি হচ্ছেন। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলে বিভিন্ন মহলে রব ওঠে, মহাজোটের জাপা (এরশাদ) থেকে কাজী মামুনুর রশিদই ‘লাঙল’ প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হচ্ছেন।

মনোনয়ন ফরম উত্তোলনের পর থেকে গত কয়েক দিন এই পরিস্থিতি চলছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে। তবে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ, ১৪ দল নাকি জাপা থেকে এ আসনে মহাজোটের প্রার্থী দেওয়া হবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাঁর গত পাঁচ বছরে এলাকায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নিজেকে ‘জনপ্রিয়’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কিন্তু কিছু নেতাকর্মীর সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে মতবিরোধের কারণে দলের একটি অংশের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে বাদল কিছুটা বিরক্ত ও অভিমানী হয়ে মনোনয়নপত্র প্রথমে জমা না করার সিদ্ধান্ত নেন। শেষ সময়ে জমাও দেন। এ নিয়ে রয়েছে এলাকায় নানা গুঞ্জন।

অন্যদিকে এ আসনে আওয়ামী লীগের অন্যতম মনোনয়নপ্রত্যাশী, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের উপদেষ্টা, বীকন গ্রুপের মালিক এবাদুল করিম বুলবুল। নির্বাচনকে সামনে রেখে হঠাৎ করে একেবারে কোমর বেঁধে তাঁর অনুসারী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শোনা যায়, দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে সবুজসংকেত নিয়ে তিনি প্রচারণায় নামেন। এ ছাড়া এই আসনে আওয়ামী লীগের শক্ত প্রার্থী হিসেবে ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোরশেদ হোসেন কামাল ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা মমিনুল হক সাঈদও মনোনয়ন পেতে চ্যানেলে জোর লবিং করছেন।

এদিকে এই আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ১৪ দলের (জাসদ ইনু) মনোনয়নপ্রত্যাশী মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শাহ জিকরুল আহমেদ খোকন। তাঁর মনোনয়ন এ আসনে শতভাগ নিশ্চিত বলে দাবি করছে স্থানীয় জাসদের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট টিকে থাকলে শেষ পর্যন্ত জাতীয় পার্টির (এরশাদ) চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের উপদেষ্টা কাজী মানুনুর রশিদ এ আসনের টিকিট পেতে পারেন।

জাপার স্থানীয় নেতাকর্মীরা সেটিই এখানে জোরেশোরে প্রচার করছে। কারণ হিসেবে তারা বলছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকে বাদ দিয়ে প্রয়াত সংসদ সদস্য ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি ফজলুল হক আমিনীর ছেলে (দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান) আবুল হাসনাত আমিনীকে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। সুতরাং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ হাতছাড়া হয়ে গেলে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনটিই একমাত্র জাতীয় পার্টির।

 

তথ্য সুত্র – কালের কন্ঠ

Comments

comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নবীনগরে ভুয়া পুলিশ আটক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 25653 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০