শিরোনাম

প্রচ্ছদ নবীনগরের খবর, শিরোনাম, স্লাইডার

প্রধান শিক্ষক আবু কায়েছ এর মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত

ডেস্ক রিপোর্ট | রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২০ | পড়া হয়েছে 417 বার

প্রধান শিক্ষক আবু কায়েছ এর মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত

মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক নবীনগর উপজেলার গৌরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবু কায়েছ এর মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

রোববার (১৬/৮) সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে গৌরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গন ও তাঁর নিজ গ্রাম সাতঘর হাটিতে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়।


বক্তাগণ আক্ষেপ করে বলেন, একজন স্বনামধন্য প্রধান শিক্ষক যদি মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে কারাগারে যেতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কি অবস্থা হবে? তাঁরা বলেন পা কাটা উল্লাস করা আলোচিত হত্যাকান্ডের বিচার দেশের সকলেই চাই। কিন্তু হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত নয় এমন কেউ সাজা পাক এইটা কেউ মানবে না। কারন পা হারানো লোক আহত অবস্থায় জবানবন্দি দিয়ে মরেছেন কে কে তাঁর পা কেটেছে। জবানবন্দীতে কায়েছ মাষ্টার বা তাঁর গ্রামের নাম নিহত মোবারক উল্লেখ করেনি। তারপরেও মিথ্যা ও প্রতিহিংসামূলকভাবে তাঁকে এবং নিরপরাদ-নির্দোষ একাদিক ব্যাক্তিকে এ মামলার আসামী করা হয়েছে। আমরা মেধাবী শিক্ষক কায়েছ মাষ্টার সহ ঘটনার সাথে জড়িত নয় এমন সকলের নাম মামলার এজাহার থেকে বাদ দেয়ার জোড় আবেদন জানাচ্ছি আইন প্রশাসনের নিকট।

গৌরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ রজ্জব আলী বলেন, কায়েছ মাষ্টার অত্যন্ত ভাল লোক। উনাকে কোনদিন ধমকের সুরে কথা বলতে দেখিনি। আমাদের গ্রামের মত নাজুক পরিবেশের বিদ্যালয়টির হাল ধরে রয়েছেন চাকুরী জীবনের শুরু থেকেই। গত মঙ্গলবার তিনি অফিসিয়াল কাজ শেষ করে নিজ গ্রাম সাতঘর হাটিতে গেলে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। আমি চাই উনাকে দ্রুত মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়া হোক।

চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তানজিম হাসান বলেন, আবু কায়েছ স্যার খুব ভাল মানুষ। তিনি যে কোন বিপদে সবার আগে এগিয়ে আসে। তিনি মানুষ গড়ার কারিগর, মানুষ হত্যার নয়। তাই আমাদের স্যারকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার আবেদন করছি।

উল্লেখ যে, গত ১২ এপ্রিল বিবদমান চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান ও সর্দার আবু কাউছার মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে গোষ্ঠিগত দাঙ্গায় মোবারক নামে এক ব্যাক্তির পা কেটে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন। আহত অবস্থায় তিনি (মোবারক) তাঁর হত্যার সাথে জড়িতদের নাম বিডিও ফুটেজে বলে গেলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোবারক মৃত্যুবরণ করলে তাঁর চাচাত ভাই চাঁন মিয়া বাদী হয়ে ১৫২ জনের নাম উল্লেখ করে নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করে।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

নবীনগরে ভুয়া পুলিশ আটক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 26147 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১