শিরোনাম

প্রচ্ছদ জাতীয়, শিরোনাম, স্লাইডার

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেলেন সাব্বির আহমেদ সুবীর

ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ৩১ জুলাই ২০১৭ | পড়া হয়েছে 1355 বার

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা  পদক পেলেন সাব্বির আহমেদ সুবীর

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে উপজেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেলেন বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাব্বির আহমেদ সুবীর।


আজ রোববার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শিক্ষা কমিটি কর্তৃক আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শিক্ষা কমিটির সভাপতি মো: নুরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত ওসমান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: নৌসাদ মাহমুদ, বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ অংশু কুমার দেব, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মিন্টু রঞ্জন সাহা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জলি আক্তার প্রমুখ।

উপজেলার ১৩৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিদের মধ্যে বিশেষ যোগ্যতার  বিবেচনায় সুবীরকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এর আগে গত ৩ বছরে উপজেলার দরিকান্দি পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখায় তাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। স্কুলের শিক্ষকদের মাঝে শিক্ষা মান উন্নয়নে বিশেষভাবে উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিমাসে মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক, ফ্রি কোচিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এই বিদ্যালয়ে। সাব্বির আহমেদ সুবীর দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এই স্কুলে কর্মরত প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে ২০০৯ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

জানা যায়, দরিকান্দি পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাব্বির আহমেদ সুবীর বিগত ৩ বছর ধরে ঝরেপড়া শিক্ষার্থী রোদ, স্কুলের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক সচেতনতাবোধ সৃষ্টি, শতভাগ পাস, শতভাগ ভর্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ভিত্তিক আয়োজিত বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ- ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন হয় দরিকান্দি পশ্চিম সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়। এবিষয়ে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাব্বির আহমেদ সুবীর বলেন, “শিক্ষার মানের সামগ্রিক উন্নয়ন সাধন আমার মূল লক্ষ্য। আমাদের স্কুলের শিক্ষার মান অনেকটা ঝিমিয়ে পড়ছিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এলাকাবাসি ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সার্বিক সহযোগিতায় আজ আমাদের স্কুল উপজেলার একটি মডেল স্কুলে রূপান্তরিত হয়েছে। একসময় এই বিদ্যালয়ের ঝরেপড়া শিক্ষার্থীর হার ছিল ৪০ ভাগেরও বেশি। ভর্তির হারও ছিল একই অবস্থা। আজ ঝরেপড়ার হার শূন্যের কোঠায় ও ভর্তির হার শতভাগ নিশ্চিত করেছি। ”

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ভালো নেই : আকবর আলি খান

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | 7061 বার

স্বর্ণের দাম কমেছে

২৯ মে ২০১৬ | 3843 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০