শিরোনাম

প্রচ্ছদ খোলা কলাম, শিরোনাম, স্লাইডার

মমতাজ মিয়ার তাবিজ এখন আর বিক্রি হয়না

হাজী কবির আহাম্মদ | মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট ২০১৬ | পড়া হয়েছে 6374 বার

মমতাজ মিয়ার তাবিজ এখন আর বিক্রি হয়না

সুগারের মাত্রা বেড়ে যাবার কারনে ঘনঘন মিষ্টি খাওয়ার ইতি ঘটল। এবার শুরু হল নতুন ধান্ধা।  ড্রেজার উচ্ছেদের নাম করে  জনগণের কাছ থেকে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে এরা  ১০ কেজি গরুর মাংস, ১০কেজি খাসির মাংস, ৬কেজি চিংড়ি মাছ এনে তা দিয়ে পেট ভরে ভাত খেয়ে সুখের ঢেকুর তুলে। হায়রে মানব সেবার নমুনা।
কষ্ট লাগে যখন দেখি  এলাকায়  উন্নয়ন মূলক কোন কাজে  বরাদ্ধ আসলে স্থানীয় কিছু কুলাঙ্গার, গরু চোরের দালাল, মটর সাইকেল চোর, ইয়াবা ব্যবসায়ী, সাংবাদিক নামের সম্বাদিকেরা ছুটে আসেন, নানান ছুতোয় চাঁদা চাই। চাঁদা না দিলে এই হবে সেই হবে বহু কিচ্ছা কাহিনী শোনায়। এতে এলাকার উন্নয়ন কাজে প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত হয়।

এক সময় আমার এলাকায় আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক ছিল, ছিল শান্ত পরিবেশ। এখন  কাদের জন্য এ ইউনিয়নে অশান্তি বিরাজ করছে তা আমার এলাকা ছাড়াও নবীনগরবাসীর কাছে স্পষ্ট।
ড্রেজারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হয়েছে চানপুরের চরে, প্রতিবাদ, মুক্ত মত প্রকাশ যা ইচ্ছা করুক এতে আমার কোন আপত্তি নেই।  আপত্তি আছে একটা বিষয়ে, তা হল ওই চরে আসল ড্রেজার ব্যবসায়ীদের  নাম বাদ দিয়ে কাগজে আমার নাম লিখে ছবি সংগ্রহ করে তাতে আগুন লাগিয়েছে এরা। এতদিন এ আগুনের লেলিহান শিখা বীরগাঁও বাসীকে জালিয়েছে। এখন আর এ অঞ্চলে তাবিজ বিক্রয় হয় না, মমতাজ মিয়ার তাবিজ।


গোটা ইউনিয়নের মানুষ জানে আমার কোন ড্রেজার নাই! আমি কোন ড্রেজারের মালিক নয়। কিংবা যে ড্রেজার নিয়ে গবিবের টাকায় নেচে গেয়ে আন্দোলনের নামে আমার ইমেজ ক্ষুন্ন করা হচ্ছে, আগুনে জ্বালাও পুরাও করা হচ্ছে, এর সাথে সম্পৃক্ততা বা সংশ্লিষ্ঠতা নেয়।
আমি এটা উপল্বধি করতে পারছি, আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল ভাইয়ের দেড় বছর প্রচেষ্টায়, অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাইশমৌজা বাজারের উন্নয়নমূলক কাজের বরাদ্ধকৃত টাকা  থেকে তাদেরকে গোন্ডা ভাতা দেওয়া। তারা কি মনে করে আমি গোন্ডা ভাতা দিয়ে কাজ করার মানুষ।
আমি গরু চোরের দালালদের হুমকি ধামকিতে ভীত নয়।  বিগত ৫ বছর কোন অন্যায়কে প্রশ্র্য়  দেয়নি ভবিষ্যতেও দিব না,
কান খাড়া করে শুনে রাখ।
এলাকার উন্নয়নের সার্থে আন্দোলন করলে গরিব দুঃখী মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলে আশুগঞ্জ ড্রেজার মালিকদের কাছ থেকে টাকা এনে মাছ মাংশ খাওয়া বন্ধ কর। নয়তো পেটে গ্যাস জমে মারা পরবা।
চালাকির একটা ধরন আছে, আন্দোলন করবা বাপের টাকায় কর। না হয় বোন ভিক্ষা করে,ভাই ভ্যান গাড়ি চালায়  ওই টাকায় কর। তা না পারলে নিজে যে গরু চোরির দালালি করো এ টাকায় করলেই পার।
নাকি, সাইকেল চুরি করে আশুগঞ্জ থানায় যে মামলা খাইছ তাতেই সব টাকা শেষ হইয়া গেছে।

সবাইরে স্পষ্ট একটা কথা বলতে চাই।
আমারে ডর দেহাইয়া লাভ নাই
আমি ইতান ডরাই না।
জন্ম একবার  মৃত্যুও একবার ।
আমার শেষ ইচ্ছা আমার ইউনিয়ন কে দালাল, সন্ত্রাস, গরুচোর,মাদকমুক্ত সমাজ উপহার দিতে পারলেই আমি স্বার্থক।
আমি বিশ্বাস করি এ কাজে  জনগণ ন্যায়ের পক্ষে আমার সাথে সবসময় ছিল,আছে , থাকবে।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 4750 বার

নবীনগরের এপ্রিল ট্রাজেডি ১৯৭১

২৯ এপ্রিল ২০১৭ | 2797 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০