শিরোনাম

প্রচ্ছদ জাতীয়, শিরোনাম, স্লাইডার

শহীদদের রক্তস্নাত ভাষার মাস (এক )

মোঃ নিয়াজুল হক কাজল | শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | পড়া হয়েছে 1511 বার

শহীদদের রক্তস্নাত ভাষার মাস (এক )

আজ শহীদদের রক্তস্নাত ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী শুরু । এ মাসটি এলেই ভাষার জন্য যাঁরা বুকের তপ্ত রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধায় কৃতজ্ঞতায় মস্তক অবনত হয়ে আসে।বিশ্বের কোন দেশেই মাতৃ ভাষার জন্য রক্ত দেয়ার নজির নেই।

এ মাসে ধারাবাহিকভাবে একুশে ফেব্রুয়ারী ভাষার জন্য শাহাদাত বরণকারী আবদুস সালাম,আবুল বারাকত,রফিকউদ্দিন আহাম্মদ,আবদুল জব্বার,শফিউর রহমান,আবদুল আউয়াল, মোঃ অহিউল্লাকে নিয়ে এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সংক্ষিপ্তভাবে ধারাবাহিক আলোচনা করার চেষ্টা করব ।


মায়ের ভাষায় কথা বলা, গল্প করা, মার্তৃবুলিতে সহজিয়া স্বতস্ফূর্ত জীবন এবং নিশ্চিত জীবিকার অধিকার কেড়ে নেয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তানী হানাদারদের সর্বোচ্চ হায়েনার থাবা অতিক্রম করে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঝলমলে দিনের আলোয় ঢাকার পিচ ঢালা রাজপথ বুকের লাল তপ্ত রক্তে রঞ্জিত করেছিলেন – ।। মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার পারিল গ্রামের ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিন আহাম্মদ ।।

ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিন আহম্মদঃ ঢাকা থেকে প্রায় চব্বিশ মাইল পশ্চিমে মানিকগঞ্জ সিংগাই থানার পারিল গ্রামে ১৯২৬ সালের ৩০শে অক্টোবর শনিবার তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল লতিফ খান আর মাতার নাম রাফিজ্জা খাতুন। রফিকের পিতা আব্দুল লতিফ খান বহু পূর্ব থেকে কলিকাতায় ব্যবসা করতেন। কলিকাতা শহরে তার প্রেস ছিল। রফিককে প্রথমে গ্রামের স্কুলে ভর্তি করানো হয়। স্কুলের শিক্ষক মোঃ আশরাফ উদ্দিন আহম্মদ এবং শ্রী বীরেন্দ্র নাথ দত্তের সুশিক্ষা পেয়ে রফিক প্রাইমারি শিক্ষা সমাপ্ত করলেন। অতঃপর তিনি বয়রা হাইস্কুলে ভর্তি হন। রফিকের পিতার অবস্থা স্বচ্ছল ছিল তাই তার পিতা ভাল শিক্ষার উদ্দেশে রফিককে নিয়ে কলিকাতা মিত্র-ইনস্টিটিউশনে ভর্তি করে দেন। সেখানে রফিক পড়াশুনা করেন, তিনি অবসর সময়ে খেলাধুলা করতেন। তিনি একজন ভাল ফুটবল খেলোয়ার ও একজন ভাল সাতারু ছিলেন। তাছাড়া তিনি সূচের কাজেও দক্ষ ছিলেন। তার হাতের তৈরি টেবিল ক্লথ, বালিশের ওয়ার এবং চেয়ারের কভারে আজও তার হাতের স্পর্শ পাওয়া যায়। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি ছাত্র অবস্থায় ১২/১ বুদ্ধুগার লেন, মির্জাপুরে (কলিকাতা) পারিল বলধারা যুবক সমিতি নামে একটি সামজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। দেশ বিভাগের পর তার পিতা দেশে ফিরে আসেন। রফিকও দেশে ফিরে এসে পুনরায় বয়রা হাইস্কুলে ভর্তি হন। তার পিতা দেশে ফিরে এসে ঢাকায় আসেন এবং তিনি ঢাকায় বাদামতলীতে পারিল প্রিন্টিং প্রেস নামে একটি প্রেস করেন। পরবর্তীকালে উক্ত প্রেসের নাম পরিবর্তন করে “কমার্সিয়াল আর্ট প্রেস” রাখা হয়। রফিক ১৯৪৮ সালে বয়রা হাইস্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করে মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজে আই,কম-এ ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি আই, কম পাশ করে ঢাকা জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে তিনি বাবার প্রেসের ব্যবসা দেখাশুনা করতেন। রফিক দেখতে শ্যামলা হলেও বেশ লম্বা ছিলেন। তার মাথায় ঝাঁকড়া কোঁকড়ানো চুল ছিল। তেজ্জদীপ্ত ও সাহসী ছিলেন। এছাড়া তিনি সুবক্তাও ছিলেন। রফিকরা মোট ৬ ভাই এবং দু বোন। রফিকের মৃত্যুর পূর্বে তার বিবাহের কথা চলছিল রফিকেরই চাচাতো বোন রাফিজা খানম ওরফে পানু বিবির সাথে। রফিকের মৃত্যুর দু’তিন বৎসর পর রফিকের ভাই রশিদের সাথে পানু বিবির বিবাহ হয়।

২১ শে ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিলে বের হলে রফিক আর বসে থাকতে পারলেন না। তার শরীরে বাংলা ভাষার দাবীতে রক্ত টগবগ করে উঠল। তাছাড়া তিনি যে স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেছেন সে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী অনিল রায় এবং তার স্ত্রী লীলাবতী রায় স্বদেশী আন্দোলনের কর্ণধার ছিলেন। কাজেই তাদের স্কুলের ছাত্ররাতো আর চুপ করে বসে থাকতে পারে না । যখন ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতীরা মিছিলে বের হয়ে যাচ্ছে। রফিকও সেই মিছিলে শরিক হন। রফিক মিছিলের সাথে মিশে একাত্ত হয়ে যান । মিছিলের ধ্বনি ছিল “রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই”। “বাঙালির দাবী, মানতে হবে”। মিছিলের ল্লোগানে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠে। কেঁপে উঠে স্বৈরাচারীর মসনদ। যখন মিছিলটি মেডিকেল কলেজের সামনে আসে তখন পাকিস্তানি পুলিশ বাহিনী মিছিলের ওপর গুলি চালায়। গুলি রফিকের মাথায় লেগে মাটিতে লুটে পড়েন। তার মাথায় গুলি লাগায় মাথার কিছুটা অংশ উড়ে যায়। ফলে তিনি কিছুই বলতে পারেনি। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। রফিকই প্রথম ২১ শে ফেব্রুয়ারি গুলিতে শহীদ হন। গোলাগুলির পর রফিকের সম্পর্কে ভগ্নিপতি জনাব মোবারক আলী খানের মনে সন্দেহ হয় যে রফিক হয়তো বা মিছিলে যেতে পারে। কারণ রফিকতো ছিল সংগ্রামী যুবক। সে কারণে আগের দিন মোবারক আলী রফিককে মিছিলে যেতে বারণ করেছিলেন। গন্ডগোলের আশঙ্কায় তাই তিনি গোলাগুলির পর রফিককের খোঁজে বের হন। মেডিকেলের কাছে গিয়ে শুনতে পান যে রফিক গুলিতে নিহত হয়েছেন এবং তার লাশ মর্গে রাখ হয়েছে। মোবারক আলী এবং রফিকের একই গ্রামের মোশারফ হোসেন মর্গে গিয়ে জানালা দিয়ে রফিকের লাশ দেখতে পান। তারা দেখেন রফিকের গায়ের জামা রক্তে রঞ্জিত এবং পকেটে যে কলমটি ছিল সে কলমটিও পকেটে আছে। মোবারক আলী মিঞা তৎক্ষণাৎ টেলিগ্রাম অফিসে গিয়ে রফিকের বাড়িতে টেলিগ্রাম করে রফিকের মৃত্যুর সংবাদ জানান। পরে অবশ্য রফিকের ছোট বেলার বন্ধু ইসমাইল মিয়া বাড়ীতে গিয়ে খবর জানান। পরের দিন যখন মর্গে লাশ আনতে যাওয়া হয়, তাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে আজিমপুরে লাশ দাফন করা হয়েছে। কিন্তু তারা বহু খোঁজ করেও কবরের কোন সন্ধান পাননি। পুলিশ রাতের অন্ধকারে রফিকের লাশটি গুম করে ফেলেছে। রফিকের স্মরণে মানিকগঞ্জে পৌরসভা, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনের ব্যস্ত রাস্তাটির নাম “শহীদ রফিক সড়ক” নামকরণ করা হয়েছে (১,২)।

১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট দেশ বিভাগের পরপরই মূলত শুরু হয় ভাষা ও সংস্কৃতির রাজনীতি। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই সদ্যগঠিত পূর্ব পাকিস্তানিরা অনুভব করলেন পৃথক করে দেয়া হয়েছে তাদের দেশ ও জাতীয়তাবোধ! তখন ছাত্র ও যুব কর্মীরা অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আন্দোলনের নতুন কর্মধারা নির্ধারণের জন্য ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং কলকাতায় অধ্যয়নরত পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা কলকাতায় সিরাজউদৌলা হোটেলে একাধিক সভা করে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁরা ঢাকায় এসে তৎকালীন সময়ের তুখোর ও প্রভাবশালী ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান ও সৈয়দ তাজুদ্দিন আহমদ সহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনায় বসেন। দেশ ভাগের অব্যবহতি পর এটাই ছিল ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। ঢাকার এ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক কর্মকান্ড এবং নীতি নির্ধারনের জন্য একটি সম্মেলন করার ব্যাপারে একমত হন সবাই। তুখোর ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ২৪ আগষ্ট রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তারণ্যে উদ্দীপ্ত,তুখোর ছাত্র নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের গতিশীল নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার ফল হিসাবে ১৯৪৭ সালের ৬ই ও ৭ই সেপ্টেম্বর পূর্ণাঙ্গ সম্মেলনের মাধ্যমে জন্ম নেয় গণতান্ত্রিক যুবলীগ। এটি ছিল তৎকালীন পূর্ব বাংলায় আন্দোলনের গুণগত পরিবর্তনের প্রথম শুভ সূচনার ইঙ্গিত (৫)।

১৪ আগষ্টের পট পরিবর্তনের পর ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে তৎকালীন প্রভাবশালী ছাত্র সংগঠন নিখিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলীম ছাত্রলীগ’ এর একটি অংশের বিতর্কিত অবস্থানের প্রতিবাদে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকার প্রগতিশীল ছাত্ররা নতুন অসাম্প্রদায়িক ছাত্র সংগঠন গঠনের উদ্যোগ নেয়। ৩১শে আগষ্ট ঢাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে এক সভার আয়োজন করা হয়। এ সভাটি পন্ড করার জন্য পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রী নূরুল আমীনের নির্দেশে বেসরকারী পরিবহন মন্ত্রনালয়ের ট্রাকে করে একদল গুন্ডা বাহিনী চেষ্টা চালায়। এ ঘটনার পর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের বাঙালী জাতীয়তাবাদী চেতনায় জেগে উঠা নতুন সাংস্কৃতিক আন্দোলনের দিকে ধাবমান ছাত্র নেতা কর্মীদের প্রগতিশীল অংশটি আরো অদম্য হয়ে উঠে। নিজেদেরকে আরো সংগঠিত করতে মরিয়া হয়ে উঠে। এর ভিতরেই বাংলা ভাষার অস্তিত্ব বিলীন করে দেয়ার ষরযন্ত্র এগিয়ে যায় আরো একধাপ। পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র জন্ম নেয়ার মাত্র তিন মাসের মাথায় তৎকালীন রাজধানী করাচীতে এক শিক্ষা সম্মেলনে উর্দূকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে পাকিস্তান সরকার। যদিও পাকিস্তানের কোন অংশেরই প্রধান ভাষা ছিলনা উর্দূ । উর্দূ ও পশতু ৭ শতাংশ, পাঞ্জাবী ১৮ শতাংশ, সিন্ধি ৫ শতাংশ এবং ৫৪ শতাংশ মানুষের মুখের ভাষা ছিল বাংলা। বেশী সংখ্যক মানুষের মুখের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করার প্রস্তাবের সংবাদটি ৬ই ডিসেম্বর পত্রিকায় প্রকাশিত হলে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে আপামর ছাত্র-জনতা। সরকারের সাথে আঁতাত করা নিখিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলীম ছাত্রলীগ’ ভেঙ্গে নতুন প্রগতিশীল সংগঠনের দিকে ধাবমান ছাত্রদের অংশটি আনুষ্ঠানিকভাবেই তাঁদের সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে গতিশীল করে তোলে আপামর ছাত্র জনতার এ বিক্ষোভকে । তৎকালীন প্রাদেশিক মন্ত্রী নুরুল আমীন ও খাজা নাজিমুদ্দিনের বাসভবন এবং সচিবালয়ের সামনে মিছিল সমাবেশ ও তীব্র বিক্ষোভ প্রকাশ করে তারা। এদিকে ভাষা ও সংস্কৃতির উপর পাকিস্তানী আগ্রাসন রোধে এবং জাতীয়তাবদী আত্মমর্যাদাবোধের চেতনা থেকেই একটি গতিশীল আন্দোলন চালিয়ে যাবার প্রত্যয় নিয়ে অসাম্প্রদায়িক ও দেশাত্মবোধের মূল্যবোধে অনুপ্রানিত তরুণ-যুবকরা ভাষার প্রশ্নে নিখিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলীম ছাত্রলীগের ন্যাক্কারজনক ভূমিকাকে ধিক্কার জানিয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে। ছাত্র রাজনীতি থেকে প্রায় বিদায় নেয়া তুখোর ও আপোষহীন ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারী ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের ফজলুল হক হলের মিলনায়তনে নতুন আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে পূর্নগঠিত হয় ছাত্রলীগ। ভাষা , সংস্কৃতি এবং জাতিগত অস্তিত্বের প্রশ্নে ছাত্রলীগের বিদ্রোহাত্মক কর্মকান্ডই বিপরীত সাংস্কৃতিক বৈশিষ্টের কিন্তু ধর্মীয় বিষবাষ্পের মেঘের ভেলায় ভাসতে থাকা নবীন পাকিস্তানের রাজনীতিতে প্রথম বিরোদীদলীয় কর্মকান্ডের সূত্রপাত ঘটায়। ভাষার প্রশ্নে উত্তাল ঢেউয়ে ফুঁসতে থাকে বাঙালী জাতি এবং পূর্ব বাংলা। পাকিস্তানের জাতীয় ইস্যুতে পরিনত হয় ভাষার দাবিটি (৪,৫) ।

চলবে—————–

গ্রন্থনাঃ মোঃ নিয়াজুল হক কাজল,সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক। লেখক ও গবেষক। ০১৭৫৩৫৩১১৫৩।

তথ্যসূত্র :

১/বাংলাপিডিয়া=ইন্টারনেট।২/ উইকপিডিয়া=ইন্টারনেট। ৩/অসমাপ্ত আত্মজীবনী-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।৪/ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশি বছর; অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ৫/বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক প্রোফাইল । ৬/ রতনপুর পরিষদ স্মরণিকা-২০০৪-আবদুল কাদের। ৭/virtualbangladesh .com/history/ekushe.html ৮/ Hasan Zaheer, The Separation of East Pakistan – The Rise and Realization of Bengali Muslim Nationalism, Oxford University Press, Karachi, Pakistan, 1994. ৯/

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ভালো নেই : আকবর আলি খান

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | 7308 বার

স্বর্ণের দাম কমেছে

২৯ মে ২০১৬ | 4243 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০