শিরোনাম

প্রচ্ছদ আলোকিত জন, শিরোনাম, স্লাইডার

সুরের ভুবনে ঐন্দ্রজালিক মহাপ্রাণ

সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ

মো. আবদুল মান্নান | বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০১৬ | পড়া হয়েছে 8530 বার

সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ

সংগীত-ঐতিহ্যের তীর্থভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশের রাগ সংগীতের প্রাণপরুষ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ জন্মগ্রহণ করেন। তার শৈশব কাটে মূলত এক সংগীতকাননে। তার পিতা সবদর হোসেন খাঁ ছিলেন প্রখ্যাত সেতার বাদক। বড় ভাই সংগীত সাধক ফকির আবতাবউদ্দিন খাঁ ছিলেন বহু যন্ত্রসংগীতে পারদর্শী উপমহাদেশ খ্যাত বংশীবাদক এবং মলয়া গানের সুরকার। তাদের ছোট ভাই আয়েত আলী খাঁ অসাধারণ এক যন্ত্রসংগীতশিল্পী। আয়েত আলী খাঁর বড় ছেলে ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খাঁও ছিলেন উপমহাদেশ খ্যাত সেতারশিল্পী।

আলাউদ্দিন খাঁ সুরের আধ্যাত্দিক টানে মাত্র আট বছর বয়সেই মার ট্রাংক থেকে অগোচরে ১০ টাকা নিয়ে গৃহত্যাগ করে কলকাতা শহরে চলে আসেন। তখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বালক আলাউদ্দিনের জীবন কাটে। সে এক রোমাঞ্চকর কাহিনী। কলকাতার বিভিন্ন ওস্তাদের কাছে সব ধরনের যন্ত্রেই তালিম নিতে থাকেন। একদিন তিনি মুক্তাগাছার জমিদার জগৎকিশোরের দরবারে ওস্তাদ আহমেদ আলীর সরোদ বাদন শুনে ওস্তাদের পায়ে পড়ে হো হো করে কেঁদে উঠেন এবং তার পা জড়িয়ে ধরেন, তাকে সাগরেদ করার জন্য। তাকে সাগরেদ করলেন ওস্তাদ আহমেদ আলী। দীর্ঘদিন সরোদ শিক্ষার পর ওস্তাদের মা বলেন- তুমি উজির খাঁ’র কাছে যাও। উজির খাঁ হলেন রামপুরের নবাব হামিদ আলীর সভাগায়ক। তিনি তানসেনের মেয়ের পক্ষের বংশধর। আলাউদ্দিন খাঁ গেলেন রামপুরে এবং উজির খাঁর কাছে দীর্ঘ ৩০ বছর সরোদ এবং বিভিন্ন যন্ত্রে তালিম নিলেন। গুরুজী আদেশ দিলেন- ‘দেশভ্রমণ কর। মনে রেখ শিক্ষা-দীক্ষা-পরীক্ষা এই তিনেই বিদ্যা।’ আর গুরুজী তাকে আশীর্বাদ করলেন ‘যতদিন চন্দ্র-সূর্য থাকবে ততদিন তোমার সংগীতও বেঁচে থাকবে।’ আলাউদ্দিন খাঁ মাইহার রাজদরবারের সভায় সভাগুরুর দায়িত্ব পালন করেন মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত। উল্লেখ্য, মাইহারের মহারাজ ব্রজেন্দ্রনারায়ণ সিংহ আলাউদ্দিন খাঁকে মাইহার রাজ্যে নিয়েছিলেন তার সভাগায়ক হিসেবে।


সুরের ভুবনে ঐন্দ্রজালিক মহাপ্রাণ

ভারতীয় উপমহাদেশের আধুনিক রাগসংগীত সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর গবেষণা ও সৃষ্টির ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভারতীয় সংগীতের আদিরূপ ধ্রুপদই রাগসংগীতের মূলভিত্তি। ১৯৩৫-৩৬ খ্রিস্টাব্দে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা মহাদেশ ভ্রমণ করে সর্বপ্রথম ভারতীয় রাগসংগীতকে সমগ্র বিশ্বে পরিচিতি দান করেন। তিনি ইউরোপীয় সংগীতজ্ঞদের ভারতীয় রাগসংগীতের রাগ-রাগিণীর অন্তরের ভাবগুলো সরোদ বাজিয়ে ভারতীয় রাগসংগীতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন। এ প্রসঙ্গে তার দুটি ঘটনা উল্লেখ করছি, ঘটনা দুটি আলাউদ্দিন খাঁর কথায় শুনুন- ‘একদিন বুদাপেস্টের একদল সংগীতজ্ঞ গুণী বললেন, সরোদ বাজিয়ে আমার বক্তব্য বোঝাতে। তখন বিকাল পাঁচটা, আর তিন ঘণ্টা পরে সন্ধ্যা হবে। ধরলাম ভৈরবী। সবাই চোখ বুঝে মন দিয়ে শুনল। বাজনা শেষ করে বললাম কী বুঝলে? একজন বলল মনে হলো গির্জায় বসে প্রার্থনা করছি। আর একজন বলল, মনে হলো ভোরবেলা একলা বসে ভগবানের উপাসনা করছি। একের পর এক ভোরবেলা পর্যন্ত নানা সময়ের নানা রাগ-রাগিণীর আলাপ শোনালাম। আমাদের সংগীতের প্রহরের নানা ভাব যে বোঝানো যায় এ কথা সবাই স্বীকার করল।’ দ্বিতীয় ঘটনাটি হলো- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি গল্প তার কথায় শুনুন- ‘একদিন হোটেলে কয়েকজন আমেরিকান ও ইউরোপিয়ান যুবতী এলো। তারা আমার সরোদ শুনবে। আমেরিকান মেয়েরা হুজুগে। ভাবলাম এখন ওদের মহলে ওরিয়েন্টাল মিউজিকটাই ফ্যাশন, তাই বোধহয় একটু গল্প করার মতো শুনে এসেছে। তখন তিনটে। বিরক্তির সঙ্গে ধরলাম ভীমপলশ্রী। আরম্ভের সঙ্গেই দেখলাম-না, এরা তো সেরকম মেয়ে নয়। খুব মন দিয়ে শুনছে, সুরের ভিতরে ঢুকতে চাইছে। বড় ভালো লাগল। তন্ময় হয়ে তিন ঘণ্টা বাজালাম। ছ’টার সময় চেয়ে দেখি ওরা এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে রয়েছে আর চোখ জলে ভেসে যাচ্ছে। কান্না আর থামে না। গলা বন্ধ। পরমুহূর্তেই ছুটে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে কপালে চুমু খেতে লাগল।’ এ দুটি ঘটনা থেকে বোঝা যায় আলাউদ্দিন খাঁর সংগীতের সুর কোন জগতে পৌঁছেছিল। এ জন্যই তো তিনি আখ্যায়িত হলেন সুরসম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ অভিধায়।

আলাউদ্দিন খাঁর সুযোগ্য পুত্র বিশ্ববিখ্যাত সংগীতসাধক ওস্তাদ আলী আকবর খাঁ ও তার শিষ্য পণ্ডিত রবিশঙ্করের মাধ্যমে ইউরোপ ও আমেরিকায় ভারতীয় রাগসংগীত শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সুরের মূর্ছনায় মুগ্ধ হয়ে আলাউদ্দিন খাঁকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। বিশ্বভারতীতে সুরসম্রাট দুই মাস ছিলেন। দুই মাসে সংগীত হয় না এটা সত্য, কিন্তু বলা হয়ে থাকে যে, সংগীতসাধক আলাউদ্দিন খাঁর সান্নিধ্যই এক মহাসংগীত।

পণ্ডিত রবিশঙ্কর তার‘My music, My life’ গ্রন্থে বলেছেন-‘Infact, he is inspired in his teaching, it is as if a floodgate had opened up and an ocean of beautiful and divine music was flowing out.’ভারতীয় আর কোনো ওস্তাদের পক্ষে এমন জাদুকরী ক্ষমতা কখনো দেখা যায়নি। এ জন্য তিনি ভারতীয় রাগসংগীতের সর্বশ্রেষ্ঠ আচার্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। তিনি প্রথাগত ভারতীয় ঘরানা সংগীতের গণ্ডি ভেঙে দেন এবং রাগসংগীতকে রাজা-বাদশাহদের দরবার থেকে সাধারণের গণ্ডির মধ্যে নিয়ে আসেন। যার জন্য ভারতীয় সংগীতজ্ঞরা তাকে ‘বাবা আলাউদ্দিন’ বলে থাকেন।

ভারতীয় সংগীতে আলাউদ্দিন খাঁ দুটি ধারার সৃষ্টি করেন। ভারতীয় সংগীতে ব্যান্ডসংগীতের প্রচলন ছিল না। তিনিই প্রথম ব্যান্ডসংগীতের সৃষ্টি করেন এবং নাম দেন ‘মাইহার ব্যান্ডসংগীত।’ দ্বিতীয়ত, ভারতীয় সংগীতের যুগলবন্দীর প্রচলন ছিল না। তিনিই প্রথম সরোদ ও সেতারের যুগলবন্দী বাদনের সৃষ্টি করেন, যা আলী আকবর খাঁ সরোদ ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর সেতারে যুগলবন্দী বাজিয়ে ভারতে ও বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছেন। আলাউদ্দিন খাঁর মেয়ে রওশন আরা অন্নপূর্ণা সুরবাহার ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর সেতারে যুগলবন্দী বাজিয়েছেন। দুই যন্ত্রের যুগলবন্দী বাদন খুবই কঠিন একটি কাজ। আলাউদ্দিন খাঁ বাদ্যযন্ত্রের আবিষ্কর্তাও। তিনি ‘চন্দ্রসারঙ্গ’ নামে একটি বাদ্যযন্ত্র আবিষ্কার করেন। আজকের যে সরোদ নামক যন্ত্রটি তা আলাউদ্দিন খাঁর হাতেই পূর্ণতা লাভ করেছে। আলাউদ্দিন খাঁ বহু রাগ-রাগিণীও সৃষ্টি করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রাগ হেমন্ত, দুর্গেশ্বরী, মেঘবাহার, প্রভাতকেলি, হেমবেহাগ, বসন্তবেহাগ, ভুবনেশ্বরী, উমাবতী, মনঝ্-খাম্বাজ, নার্গাজুন, ধবলশ্রী, শোভাবতী, মদনমঞ্জুরি (নিজ স্ত্রীর নামে) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

আলাউদ্দিন খাঁর পুত্র বিশ্ববিখ্যাত সরোদবাদক ওস্তাদ আলী আকবর খাঁ আমেরিকার ‘ম্যাকার্থি অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে। আমেরিকানরা এ পর্যন্ত আমেরিকার বাইরের কোনো সংগীতজ্ঞকে এ পুরস্কার প্রদান করেনি। তার তৃতীয় কন্যা রওশন আরা অন্নপূর্ণা ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ সুরবাহার বাদক এবং রহস্যময়ী সংগীতজ্ঞ বলে আখ্যায়িত। তার নাতি ওস্তাদ আলী আকবর খাঁর পুত্র আশিষ খাঁও বিশ্বখ্যাত একজন সংগীতসাধক। তিনি আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত আলী আকবর খাঁ মিউজিক কলেজে শিক্ষকতা করছেন। ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ বেহালাবাদক বিষ্ণুযোগ আলাউদ্দিন খাঁরই যোগ্য শিষ্য। আলাউদ্দিন খাঁ বহু সংগীতশিল্পী সৃষ্টি করে গেছেন যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতীয় রাগসংগীতকে সমৃদ্ধ করেছেন।

আলাউদ্দিন খাঁকে সর্বপ্রথম ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ‘খাঁ সাহেব’ উপাধি প্রদান করেন। ভারত সরকার সংগীতে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক ‘পদ্মভূষণ’ ও ‘পদ্মবিভূষণ’, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে প্রদান করে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। বিশ্বভারতী প্রদান করে ‘দেশীকত্তাম’ খেতাব। তিনি ছিলেন দিল্লি সংগীত একাডেমির ফেলো। তাছাড়া ভারতের বহু প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে খেতাব প্রদান করে সম্মানিত করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ হল ছাত্র সংসদ ১৯২৯ সালে তাকে আজীবন সদস্য পদ প্রদান করে।

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ একজন ধার্মিক, পরহেজগার, নামাজি মানুষ হিসেবে পরিচিতি ছিল। চল্লিশের দশকের শেষ দিকে সম্ভবত, ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি পবিত্র হজব্রত পালনের চিন্তাভাবনা করেন। কথিত আছে ১৯৪৮ সালের শেষ দিকে তিনি হজ পালন করার জন্য মক্কায় গমন করেন। সে সময়ে ভারতের জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সম্মানিত সদস্য নিযুক্ত হন ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ। পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। হজব্রত পালন শেষে সব হজযাত্রীই পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরেছেন। ওস্তাদ ফিরে আসছেন না। বিষয়টি জানাজানি হলে মাইহার রাজ্যসহ সারা ভারতের সংগীতপ্রেমী মানুষ উৎকণ্ঠায় থাকেন। এদিকে ওস্তাদ আলাউদ্দিন তার সঙ্গে থাকা পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে কাবা শরিফ এলাকায় স্থাপিত হজক্যাম্পে বসবাস করে নিয়মিত ইবাদত বন্দেগি করে সময় কাটাচ্ছেন। ওস্তাদের ফিরে না আসার বিষয়টি তার পরিবারকে বিচলিত করে তুললে মেয়ে অন্নপূর্ণা ইন্দিরা গান্ধীকে অবহিত করেন। তারা উভয়ই ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী বিষয়টি বাবা প্রধানমন্ত্রী নেহরুকে অবহিত করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে সৌদি সরকারকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ওস্তাদকে খুঁজে বের করে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য। সৌদি সরকার অনেক চেষ্টায় ওস্তাদকে ভারতে ফেরত পাঠায়।

আলাউদ্দিন খাঁ ছিলেন একজন বইপড়ুয়া লোক। পণ্ডিত রবিশঙ্কর বলেছেন- ‘একটা কথা হয়তো অনেকেই জানেন না। বাবা কথা বলতে যেমন ভালোবাসতেন তেমনি ভালোবাসতেন বই পড়তে। উনি বাস্তবিকই ছিলেন বইয়ের পোকা। তার কাছে নিয়মিতভাবে আসত ‘ভারতবর্ষ’, ‘প্রবাসী’, ‘বসুমতি’, ‘সঙ্গীত প্রবেশিকা’ এবং হিন্দিতে ‘মায়া’ ‘মনোহর কাহনিয়া।’ তাছাড়া তিনি রাজ্যের বই জোগাড় করে আনতেন যখনই বাইরে যেতেন’।

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর একটি নেশা ছিল বাগান চর্চা করা। মাইহারের মাটিতে এবং পানিতে চুনের ভাগ অনেক বেশি। ফলে সেখানে সবুজ বাগান করা বা ফলের ক্ষেত করা খুব কঠিন ব্যাপার। কিন্তু আলাউদ্দিন কঠোর পরিশ্রম করে সেই অসাধ্য সাধন করেন।

সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্ব্বর ভারতের মাইহার রাজ্যে নিজস্ব বাসভবন ‘মদিনা ভবনে’ ইন্তেকাল করেন এবং সেখানেই সমাহিত আছেন। তার মৃত্যুতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধী তার শোকবাণীতে উল্লেখ করেছিলেন, ‘ভারতীয় সংস্কৃতির ইন্দ্রপতন ঘটল।’ একদা কীর্তিমান এ মহাপুরুষের জন্ম দিয়েছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটি। আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সাহিত্য ও সংগীতের জেলা বা ভাটিবাংলার সংস্কৃতির রাজধানী বলা হয়ে থাকে মূলত তার অবিস্মরণীয় কীর্তির জন্যই। তার এ স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য শহরের প্রাণকেন্দ্রে তার নিজ বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সুরসম্রাট ‘দি আলাউদ্দিন সংগীতাঙ্গন’ এবং একই স্থানে স্বল্প পরিসরে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ‘জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

Comments

comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ড.আকবর আলী খান

১২ মে ২০১৬ | 6980 বার

আমরা তোমাদের ভুলবনা

১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | 6373 বার

তুষার আব্দুল্লাহ

২৬ এপ্রিল ২০১৬ | 3047 বার

‘শেষ ব্যক্তি শেষ বুলেট’

২৯ নভেম্বর ২০১৮ | 1959 বার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১